![]() |
| ফাইল ছবি |
তামাদ্দুন ডেস্ক : ইসলাম শান্তির ধর্ম। সার্বজনীন ও কল্যাণকামী ধর্ম ইসলাম। ইসলামই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষের আবরু-ইজ্জতের নিরাপত্তা দিয়েছে। ইসলামই আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবন বিধান। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআনুল কারিমের সূরা আলে ইমরানের ৮৫ নাম্বার আয়াতে বলেন, "যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিনকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত।"
ইসলামী জীবনব্যবস্থায় মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন একমাত্র কল্যাণ নিহিত। ইসলাম ও কুরআন মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। ধর্মহীনতা ইসলাম কখনোও সমর্থন করে না।
আজ রোববার (৪ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা মনসুরুল হাসান রায়পুরী, নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম ইসলামাবাদী, মহাসচিব শায়খুল হাদিস মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, সিনিয়র সহ সভাপতি শায়খুল হাদিস মুফতি শেখ মুজিবুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল হক বট্টগ্রাম, মাওলানা শহিদুল ইসলাম আনসারী, মুফতি গোলামুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা তৈয়বুর রহমান নিজামী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী, সহকারি মহাসচিব মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাস,সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক মুফতি রেদওয়ানুল বারী সিরাজী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, মুফতি আতাউর রহমান খান, মাওলানা আবু বকর সরকার ও মুফতি আবু সাঈদ প্রমুখ এসব কথা বলেন।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সূরা কাফিরুনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, "তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম এবং আমার জন্য আমার ধর্ম।" এ কথার দ্বারা অন্য ধর্মের অনুমোদন দেওয়া হয়নি বরং তারা(কাফেররা) যে সমঝোতার প্রস্তাব করেছিল সেটাকে সম্পূর্ণরূপে নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তোমাদের দ্বীন ও ধর্ম কুফর ও শিরক আর আমার দ্বীন ও ধর্ম তাওহীদের ও একত্ববাদের।
এ আয়াতের আরেকটি ব্যাখ্যা হচ্ছে, তোমাদের কর্মফল তোমাদের ভোগ করতে হবে এবং আমার কর্মফল আমি ভোগ করবো। যারা এ আয়াত দ্বারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা কুরআনে আছে বলে প্রচার করেন তাদের এই দাবি সঠিক নয়।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আমরাও চাই আমাদের জাতীয় সংসদে কুরআনের চর্চা হোক। তবে কুরআনের ব্যাখ্যা ও তাফসির হতে হবে সঠিক নীতিমালার আলোকে। সংসদে কুরআনের চর্চা হোক সঠিকভাবে আমরা সেই কামনাই করি।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৩ জুলাই) একাদশ জাতীয় সংসদের ১৩তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের কোরআন শরিফে বলা হয়েছে, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম সব ধর্মের মর্যাদা দেয়। কোরআন শরিফে আছে, ‘লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন’ অর্থাৎ যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। যার যার মতামত সে সে প্রকাশ করবেন।”
এর আগে সংসদের এই অধিবেশনেই বিএনপির হারুনুর রশিদ কোরআনে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা নেই বলে দাবি করেছিলেন। বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা থাকার সমালোচনাও করেন তিনি। হারুন বলেন, ‘সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা রাখা সাংঘর্ষিক।’
তামাদ্দুন২৪.কম/হাসান আল মাহমুদ


0 মন্তব্যসমূহ