শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

‘তার রয়েছে বুযুর্গিপূর্ণ নূরানী চেহারা’

সৈয়দ শামসুল হুদা : ড. এরতেজা হাসান বাংলাদেশে বহুমুখী চরিত্রের এক অসাধারণ সমন্বিত চরিত্র। একদিকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় রাজনীতিবিদ। অন্যদিকে তিনিই আবার দাওয়াত ও তাবলীগের একজন শীর্ষ মুরুব্বি। তাবলীগে ভাঙ্গনের অন্যতম এক খলনায়ক। পাশাপাশি তিনিই আবার বাংলাদেশে শিয়াইজম প্রতিষ্ঠার নেপথ্য নায়কও। তিনিই ইরানী কালচারাল সেন্টারের অন্যতম পরিচালক। স্কুল-কলেজ ও দুর্বলমনা আলেমদের তিনি বিভিন্ন কায়দায় ইরানী কালচারাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রভাবিত করে থাকেন। তার রয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথেও ঘনিষ্ট সম্পর্ক। পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সাথেও তার রয়েছে নিবিড় যোগাযোগ।

কয়েকদিন আগে বরখাস্তকৃত মেয়র জাহাঙ্গীরের পক্ষে তার পত্রিকায় ধারাবাহিক সিরিজ লেখা প্রকাশ করেছিলেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র কিরণের দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে।

তাবলীগের আলেম সাথীদের থেকে জানা যায়, তিনি মারাত্মকভাবে হক্কানী আলেমবিদ্বেষীও। আর্থিক জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় পিবিআই তাকে গ্রেফতার করেছে। বিষয়টি ঠিক এই সময়ে খুবই অবাক করার মতো ঘটনা। তার মতো সরকারের একেবারে ঘরোয়া প্রভাবশালী ব্যক্তির এই গ্রেফতার আমাদেরকে হতবাক করেছে।

নানা বিতর্কের সাথে জড়িয়ে থাকলেও তার রয়েছে চমৎকার একটি বুযুর্গিপূর্ণ নূরানী চেহারা। মনে হবে যে, তিনি একজন বড় হক্কানী আলেম। তিনি তার সম্পাদিত পত্রিকা ভোরের পাতার মাধ্যমে অনেককে কুপোকাতও করেন। মিডিয়াকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। নানা প্রসঙ্গে আলেমদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেন। তাদের নিয়ে সিরিজ অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশ করেন। রূপের এই বৈচিত্র তাকে অনন্য উচ্চতায় সমাসীন করেছে।

এটা বাংলাদেশে ধর্মীয় জীবন-যাপনের একটি চমৎকার বহিঃপ্রকাশ। এদেশে সত্যিকার অর্থে ধর্মীয় চেতনাকে ধারণ না করেও একজন বড় ধার্মিক হওয়া যায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ